Friday, November 29, 2013
Free Lauching News : ‘ছোট’ কাজে কত টাকা?
কখনো সামাজিক যোগাযোগের সাইট ব্যবহার করে লাইক দেওয়া, ফরমায়েশে অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া, অনলাইনে ভোট দেওয়া, মন্তব্য করা, বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা, বিজ্ঞাপন দেখা প্রভৃতি মাইক্রো ওয়ার্কের মধ্যে পড়ে। দেশের অনেক ফ্রিল্যান্সার এখন ঘরে বসে ‘মাইক্রো ওয়ার্ক’ করেও আয় করছেন। কিন্তু শ্রম ও সময় ব্যয়ের সঙ্গে পারিশ্রমিক ঠিকঠাক মিলছে তো?
Free launching news : ইল্যান্স থেকে ছয় মাসে ১১ কোটি টাকা দেশে
ইল্যান্স থেকে ছয় মাসে ১১ কোটি টাকা দেশে
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সে কাজ করে প্রায় ১১ কোটি টাকা দেশে এনেছেন বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা।
বাংলাদেশ
থেকে প্রতি মাসে এক হাজারের বেশি অ্যাকাউন্ট খোলা হচ্ছে অনলাইন
মার্কেটপ্লেসের এ সাইটটিতে। ইল্যান্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশের দক্ষ
ফ্রিল্যান্সাররা এই সাইটটিতে এখন কাজ পাচ্ছেন বেশি।
ইল্যান্স
বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান প্রথম আলো ডটকমকে
জানিয়েছেন, ২০১৩ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থাত্ এপ্রিল থেকে জুন এই
তিন মাসে ইল্যান্সে সাত হাজারেরও বেশি নতুন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার যুক্ত
হয়েছেন। চলতি বছরে ইল্যান্সে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের কাজ পাওয়ার
পরিমাণ বেড়েছে। ২০১২ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় এ বছরের জুন মাসে
১৪৫ শতাংশের বেশি বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা ইল্যান্সে কাজ করেছেন এবং
আয়ের পরিমাণও অনেক বেশি। এ বছরের বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইল্যান্সে
পাঁচ হাজার ৬৫২টি কাজ করেছেন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা। ইল্যান্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা আইটি,
প্রোগ্রামিং, গ্রাফিকস ও সফটওয়্যার বিভাগে তাদের দক্ষতা দেখিয়ে বেশি কাজ
পাচ্ছেন। এ ছাড়াও অ্যাডমিন সাপোর্ট ও বিপণনেও দেশি ফ্রিল্যান্সাররা
দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সরা বেশির ভাগ কাজ পাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও সিঙ্গাপুর থেকে। অনলাইনে কাজের শীর্ষস্থানীয় প্ল্যাটফর্ম ইল্যান্স ২১ আগস্ট
প্রতিষ্ঠানটির গ্লোবাল অনলাইন এমপ্লয়মেন্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের তুলনায় ইল্যান্সে ব্যবসায়ের ওপর বিনয়োগ
বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দক্ষ ফ্রিল্যান্সারদের নিয়োগ ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।
ফেসবুকে আসছে ‘নিউজ ফিড’পড়ার নতুন ফিচার
ফেসবুকে আসছে ‘নিউজ ফিড’পড়ার নতুন ফিচার
ব্যবহারকারীদের নিউজ ফিড পড়ার সুবিধার্থে নতুন একটি ফিচার আনতে পারে ফেসবুক
কর্তৃপক্ষ। ‘সেভ ফর লেটার’ নামের এ ফিচারটি নিউজফিড বুক মার্ক করে রাখার
সুবিধা দেবে। ফিচারটি ব্যবহার করে ফেসবুক ব্যবহারের সময় পছন্দসই পোস্ট পরের
কোনো সুবিধাজনক সময়ে পড়ার জন্য সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন ব্যবহারকারী। এক
খবরে এ তথ্য জানিয়েছে প্রযুক্তি ও ব্যবসাবিষয়ক ওয়েবসাইট অল থিংস ডিজিটাল।
এ
ছাড়াও খবর পড়ার বিশেষ সুবিধার একটি ফিচার তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি যা
ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর পড়ার ও সংগ্রহ করে রাখার সুবিধা
দেবে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগের সাইট হিসেবে
ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন থার্ড পার্টি প্রকাশকের নিউজফিডগুলো পড়ার সুবিধা
দেবে তারা।
এর আগে ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গও একসময়
জানিয়েছিলেন, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত সংবাদপত্রের মতো এক ধরনের সুবিধা
গড়ে তুলবে ফেসবুক। কবে নাগাদ এ ফিচার উন্মুক্ত করা হবে সে বিষয়ে ফেসবুকের
পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
ফেসবুকে আসছে ‘নিউজ ফিড’পড়ার নতুন ফিচার
ফেসবুকে আসছে ‘নিউজ ফিড’পড়ার নতুন ফিচার
ব্যবহারকারীদের নিউজ ফিড পড়ার সুবিধার্থে নতুন একটি ফিচার আনতে পারে ফেসবুক
কর্তৃপক্ষ। ‘সেভ ফর লেটার’ নামের এ ফিচারটি নিউজফিড বুক মার্ক করে রাখার
সুবিধা দেবে। ফিচারটি ব্যবহার করে ফেসবুক ব্যবহারের সময় পছন্দসই পোস্ট পরের
কোনো সুবিধাজনক সময়ে পড়ার জন্য সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন ব্যবহারকারী। এক
খবরে এ তথ্য জানিয়েছে প্রযুক্তি ও ব্যবসাবিষয়ক ওয়েবসাইট অল থিংস ডিজিটাল।
এ
ছাড়াও খবর পড়ার বিশেষ সুবিধার একটি ফিচার তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি যা
ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর পড়ার ও সংগ্রহ করে রাখার সুবিধা
দেবে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগের সাইট হিসেবে
ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন থার্ড পার্টি প্রকাশকের নিউজফিডগুলো পড়ার সুবিধা
দেবে তারা।
এর আগে ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গও একসময়
জানিয়েছিলেন, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত সংবাদপত্রের মতো এক ধরনের সুবিধা
গড়ে তুলবে ফেসবুক। কবে নাগাদ এ ফিচার উন্মুক্ত করা হবে সে বিষয়ে ফেসবুকের
পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
ফেসবুকে আসছে ‘নিউজ ফিড’পড়ার নতুন ফিচার
ফেসবুকে আসছে ‘নিউজ ফিড’পড়ার নতুন ফিচার
ব্যবহারকারীদের নিউজ ফিড পড়ার সুবিধার্থে নতুন একটি ফিচার আনতে পারে ফেসবুক
কর্তৃপক্ষ। ‘সেভ ফর লেটার’ নামের এ ফিচারটি নিউজফিড বুক মার্ক করে রাখার
সুবিধা দেবে। ফিচারটি ব্যবহার করে ফেসবুক ব্যবহারের সময় পছন্দসই পোস্ট পরের
কোনো সুবিধাজনক সময়ে পড়ার জন্য সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন ব্যবহারকারী। এক
খবরে এ তথ্য জানিয়েছে প্রযুক্তি ও ব্যবসাবিষয়ক ওয়েবসাইট অল থিংস ডিজিটাল।
এ
ছাড়াও খবর পড়ার বিশেষ সুবিধার একটি ফিচার তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি যা
ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর পড়ার ও সংগ্রহ করে রাখার সুবিধা
দেবে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগের সাইট হিসেবে
ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন থার্ড পার্টি প্রকাশকের নিউজফিডগুলো পড়ার সুবিধা
দেবে তারা।
এর আগে ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গও একসময়
জানিয়েছিলেন, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত সংবাদপত্রের মতো এক ধরনের সুবিধা
গড়ে তুলবে ফেসবুক। কবে নাগাদ এ ফিচার উন্মুক্ত করা হবে সে বিষয়ে ফেসবুকের
পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
Computer Teaching: Function Key
আমাদের
কম্পিউটার কিবোর্ডের উপরের দিকে f1 f2 f3 এরকম f12 পর্যন্ত ১২টি function
key দেয়া আছে। এই প্রত্যেকটি কি এর একেকটি ভিন্ন ভিন্ন কাজ রয়েছে। তাহলে
চলুন এক এক করে দেখে নেই কাজগুলোঃ
F1 : এই বাটন টি যেকোণ প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার এর জন্য সাহায্যকারী কি
হিসেবে ব্যবহৃত হয় অর্থাৎ আপনার একটিভ উইন্ডোর জন্য হেল্প পেইজ দেখতে হলে
এই বাটন টি প্রেস করলেই চলবে।
F2 : Rename
করার জন্য শর্টকাট কি হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়। আপনার সিলেক্টকৃত কোণ
ফাইল বা ফোল্ডার রিনেম করতে সিমপ্লি এই বাটন টি প্রেস করুন।
তাছাড়াAlt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের একটি নতুন ডকুমেন্ট খুলতে
পারেন। আরেকটা ব্যবহার আমি করে থাকি আর তা হল ওয়ার্ডের প্রিন্ট প্রিভিউ
দেখা। তার জন্য জাস্ট ctrl+f2 চাপুন।
F3 :
শুধুমাত্র F3 চেপে আপনি যেকোন প্রোগ্রামের বা ডকুমেন্টের সার্চ অপশান আনতে
পারেন। ঠিক এখুনি কি টা চাপুন তো আর দেখুন আপনার ব্রাউজারের ডান পাশে একটি
সার্চ বক্স এসেছে! shift+f3 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কোণ শব্দকে বড়
হাতের থেকে ছোট হাতের বা ছোট হাতের থেকে বড় হাতের করতে পারেন। এবং
সিলেক্টকৃত ঐ শব্দটির প্রথম অক্ষর যদি বড় হাতের রাখতে চান তাহলেও shift+f3
চাপুন।
F4 : এই বাটন দিয়ে মাইক্রোসফট
ওয়ার্ডের last action performed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব
প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।
F5 : মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয় এই বাটন
চেপে। যেকোণ পেজ রিফ্রেশ করতে এই পেজটিই ব্যবহার করা হয়। পাওয়ার পয়েন্টে
স্লাইড শো শুরু করা এবং বন্ধ করার জন্য এই বাটন টি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
F6 : মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে এটি
চাপলেই হবে , এখুনি ট্রাই করে দেখুন। Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডের সক্রিয়
ডকুমেন্ট রেখে অন্যটি ব্যবহার করা যায়।
F7 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান ও গ্রামার ঠিক করা হয় এবং মজিলা
ফায়ারফক্সের Creat browsing চালু করা হয়।Shift+F7 চেপে মাইক্রোসফট
ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন
ইত্যাদি জানার ডিকশনারি চালু করা হয়।
F8: বিশেষ করে কম্পিউটার চালু করার সময় এই কি টী কাজে লাগে । সাধারণত উইন্ডোজ safe mood এ চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
F9 : Quark 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করার জন্য এটী কাজে লাগে
f10 : এটি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন
করা হয়। Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা লিংক বা ছবির ওপর মাউস
রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।
F11 : আপনার সামনে স্ক্রিনে একটিভ উইন্ডোটিকে ফুলস্ক্রিন করতে এবং নরমাল মুডে আনতে এই বাটন টি চাপলেই হবে। এখুনি দেখুন।
F12 :চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো ওপেন করা হয়। Shift+F12
চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা হয়। বর্তমান সময়ে আমরা সবাই
অভ্র ব্যবহার করে থাকি, আর এই অভ্র সফটওয়্যার এ বাংলা এবং ইংরেজী ভাষা
সিলেক্ট বা পরিবর্তন করতে ডেস্কটপ কম্পিউটারে শুধু মাত্র f12 চেপে বাংলা
থেকে ইংরেজীতে বা ইংরেজী থেকে বাংলা মুড এ আসতে পারবেন। আর ল্যাপটপে fn+f12
চাপতে হবে।
Thursday, November 28, 2013
Tuesday, November 26, 2013
কম্পিউটারের কমনসেন্স!
কম্পিউটারের কমনসেন্স!
কমনসেন্স বা সাধারণ বুদ্ধি সম্পন্ন কম্পিউটার তৈরি সংক্রান্ত গবেষণা
চলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ছবি বিশ্লেষণ করে কমনসেন্স রপ্ত করার এ গবেষণা
প্রক্রিয়ায় কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামকে
ব্যবহার করা হচ্ছে। মানুষ যেভাবে সাধারণ জ্ঞান রপ্ত করে সেভাবে কম্পিউটার
প্রোগ্রাম সাধারণ জ্ঞান রপ্ত করতে সক্ষম হবে কিনা তা নিয়েই এ গবেষণা।
বিবিসি
অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, গবেষকেদের তৈরি কম্পিউটার প্রোগ্রামটির নাম
‘নেভার এন্ডিং ইমেজ লার্নার’ বা নেইল। এ প্রোগ্রামটির জন্য অর্থায়ন করেছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর এবং গুগল।
নেইল প্রোগ্রামের মাধ্যমে
চলতি বছরের জুন মাস থেকে ৩০ লাখ ছবি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রায় পাঁচ লাখ
ছবি বিশ্লেষণ করে তার মধ্যে এক হাজার ৫০০ ছবিতে নির্দিষ্ট বস্তু শনাক্ত
করার পাশাপাশি ১০ লাখ ছবির মধ্যে এক হাজার ২০০ ছবিতে নির্দিষ্ট দৃশ্য খুঁজে
বের করতে সক্ষম হয়েছে এ প্রোগ্রামটি। এখন পর্যন্ত নেইল প্রোগ্রাম যা
শিখেছে তার মধ্যে রয়েছে-এয়ার বাস ৩৩০-এর সঙ্গে অ্যারোপ্লেনের মিল রয়েছে,
অ্যান্টিলোপ ও হরিণের মিল রয়েছে, চাকা গাড়ির অংশ প্রভৃতি।
নেইল
প্রোগ্রামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা আশা করছেন, এ প্রোগ্রামটিকে আলাদা
করে কোনো প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। অর্থাত্ কোনো রকম প্রশিক্ষণ
ছাড়াই বিভিন্ন বস্তুর মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করতে পারবে কম্পিউটার।
গবেষকেরা
বলেন, কম্পিউটার ভিশন প্রযুক্তি বা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার মডেলের ওপর
ভিত্তি করে বিভিন্ন বস্তু কম্পিউটার শনাক্ত করতে সক্ষম। তবে বস্তু
শনাক্তকরণে নেইল প্রোগ্রামটি তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হবে।কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিকস ইনস্টিটিউটের গবেষক অভিনব গুপ্তা
জানিয়েছেন, বাস্তব জগতের কিছু সাধারণ জ্ঞান শেখার ক্ষেত্রে ছবি
গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে। মানুষ যেমন ছবি দেখে সাধারণ জ্ঞান রপ্ত করে
তেমনি নেইল প্রোগ্রামও তা করতে সক্ষম হবে। তবে কম্পিউটার শেখার ক্ষেত্রে যে
ভুল করবে তা শোধরানোর জন্য মানুষের নির্দেশনা প্রয়োজন পড়বে।
দখিন হাওয়ায় ১০ বছর পর দুই বন্ধু
দখিন হাওয়ায় ১০ বছর পর দুই বন্ধু
দীর্ঘ ১০ বছর পর হুমায়ূন আহমেদের ধানমন্ডির দখিন হাওয়া বাসায় দেখা হলো
ছোটবেলার দুই বন্ধু মেহের আফরোজ শাওন ও ইপশিতা শবনম শ্রাবন্তীর।
সম্প্রতি শাওনের সঙ্গে দেখা করার আগে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন শ্রাবন্তী।
এ
প্রসঙ্গে প্রথম আলো ডটকমকে শাওন বলেন, ‘“এটা কি তোর নাম্বার??? তুই বাসায়
আছিস তো??? আমি আসতেছি।” এ রকম একটা এসএমএস পেয়ে চমকে গেলাম। অচেনা নাম্বার
থেকে আসা এই এসএমএসের নিচে কোনো নাম লেখা নেই। জবাব দেব না দেব না ভেবেও
জবাব দিলাম। ছোট্ট বেলার বন্ধুত্ব মনে হয় এমনই।’
শাওন আরও বলেন, ‘দেখা
হওয়ার পর শ্রাবন্তী বার বার জানতে চাচ্ছিল কত যুগ পরে আমাদের দেখা হলো? তখন
আমি বললাম, ঠিক ১০ বছর পর তোর আর আমার দেখা।’
শাওন ও শ্রাবন্তীর
বন্ধুত্বের শুরুটা হয়েছিল যখন তাঁদের বয়স সাড়ে ছয় বছর। দুজনেই তখন নাচ
শিখতেন শুক্লা সরকারের কাছে। তাঁদের এই বন্ধুত্বের তালিকায় আরও ছিলেন
নাদিয়া, ঈশিতা, রিচি সোলায়মান প্রমুখ।
শাওন জানান, ‘নতুন কুঁড়ির সঙ্গে
যুক্ত থাকার সময় আমাদের সবার মাঝে অন্যরকম একটা বন্ধুত্ব ছিল। কিন্তু
পরবর্তী সময়ে যে যার কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। এখন আমরা এত বেশি ব্যস্ত যে
কারও সঙ্গে দেখা সাক্ষাতের সুযোগই হয় না। আমি আমার সংসার আর শ্রাবন্তীও তার
সংসার নিয়ে ব্যস্ত। আমার অন্য বন্ধুদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে দেখা হলেও
শ্রাবন্তীর সঙ্গে কেন জানি দীর্ঘ সময় ধরে দেখা হচ্ছিল না। অনেক বছর পর দেখা
হওয়ায় অনেক ভালো লেগেছে।’
Monday, November 25, 2013
এই শীতে ব্লেজার জ্যাকেট
এই শীতে ব্লেজার জ্যাকেট
শুধু একটা পাতলা
টি-শার্ট
বা ক্যাজুয়াল
শার্ট পরার
দিন প্রায়
গেল।
গরম কাপড়
চাই এই
সময়ে।
তবে গরম
কাপড় মানেই
মোটা কাপড়
না।
হালকা-পাতলা
গরম কাপড়ই
পছন্দ এই
সময়ের তরুণদের। আর
তাই দেখা
মিলছে পাতলা
কাপড়ের ব্লেজার
আর জ্যাকেটের।
ফ্যাশন হাউস
ওটুর প্রধান
পরিচালন কর্মকর্তা
জাফর ইকবাল
বলেন, ‘শুধু
জিনস আর
টি-শার্ট
তো এই
সময়ে চলবে
না, এখন
চাই একটা
বাড়তি পোশাক
জ্যাকেট বা
ব্লেজার।
তরুণদের চাহিদা
মাথায় রেখে
জ্যাকেট বা
ব্লেজারেও এসেছে পরিবর্তন। ব্লেজারের
কাপড়, কাট-ছাঁট, বেতাম,
রং ইত্যাদি
বিষয়ে এবার
বৈচিত্র্যের ছোঁয়া লেগেছে বেশি।
জিনস, চামড়া,
সুতির বাইরে
এবার নতুন
এসেছে মখমলের
জ্যাকেট বা
কোট।’
আমাদের দেশে
খুব কম
সময়ের জন্যই
জাঁকানো শীত
পড়ে।
তাই মাথা
থেকে পা
পর্যন্ত নিজেকে
শীতের পোশাকে
মুড়িয়ে রাখাটা
পছন্দ করেন
না ফ্যাশন-সচেতন তরুণেরা। অনেকেই
ভেতরে একটা
টি-শার্ট
বা শার্ট
পরে তার
ওপরে পরেন
ব্লেজার।
তাই সেটা
পাতলা হলেও
ওম থাকে
শরীরে।
বাজারের হালচাল
পুরোদস্তুর আনুষ্ঠানিক ব্লেজার
নয়, ক্যাজুয়াল
ব্লেজারই বেশি
চলছে বাজারে। চামড়ার
জ্যাকেটে আছে
নানা রঙের
খেলা।
ইস্পাতের বোতামের
ব্যবহার জ্যাকেটগুলোকে
আরও আকর্ষণীয়
করে তুলেছে। চামড়ার
এক রঙের
জ্যাকেট ছাড়াও
আছে চেকের
নকশার জ্যাকেট। কোনোটিতে
আবার কাপড়ের
সঙ্গে চামড়ার
ব্যবহার করা
হয়েছে।
এ ছাড়া
ডেনিম কাপড়ের
তৈরি নানা
ধরনের ব্লেজার
চলছে এবারও। মখমলের
নকশা করা
ব্লেজার এসেছে
এবার।
জ্যাকেট ও
সেমি-স্যুট
ধাঁচের এসব
মখমলের পোশাকের
সঙ্গে মিলিয়ে
বেছে নিতে
পারেন উজ্জ্বল
রঙের প্যান্ট। একের
ভেতর দুই
অর্থাৎ অফিসে
পরা যায়
আবার বাইরে
কোনো পার্টিতেও
ঠিকমতো মানিয়ে
যায়, এমন
ব্লেজার কিনছেন
অনেকে।
জ্যাকেট বা
ব্লেজারের ভেতরে আগে একটা সাধারণ
কাপড় ব্যবহার
করা হতো। কিন্তু
এবার সেখানে
নকশার অংশ
হিসেবেই দেখা
যাচ্ছে বৈচিত্র্যময়
কাপড়।
দরদাম
চামড়ার জ্যাকেট কেনা যাবে ২০০০
থেকে ৬০০০
টাকায়।
ব্লেজারের দাম পড়বে ১৮০০ থেকে
৪৫০০ টাকা,
গ্যাবার্ডিন কাপড়ে তৈরি ব্লেজারের দাম
পড়বে ১২০০
থেকে ৩০০০
টাকা, রেইনকোটে
যে ধরনের
কাপড় ব্যবহার
হয় তেমন
চকচকে পানিরোধী
উপাদানে তৈরি
পাতলা জ্যাকেটের
দাম পড়বে
২০০০ থেকে
৩৫০০ টাকা,
মখমলের ব্লেজারের
দাম পড়বে
৪০০০ থেকে
৬০০০ টাকার
মধ্যে, মোটা
সুতি কাপড়ের
ব্লেজারের দাম ৫০০০ টাকার মধ্যে। খাদি
কাপড়ের তৈরি
ব্লেজারগুলোর দাম শুরু ১২০০ থেকে।
যেখানে কেনা
যাবে
রাজধানীর ফ্যাশন হাউস ওটু, আর্টিস্টি,
ফ্রিল্যান্ড, ক্যাটস আই, একস্ট্যাসি, স্মার্টেক্স,
প্লাস পয়েন্ট,
তানজিম স্ট্রিট,
ইনফিনিটিসহ বিভিন্ন দোকানে পাবেন এগুলো। এ
ছাড়া ঢাকার
বসুন্ধরা সিটি
শপিং কমপ্লেক্স,
নিউমার্কেট, বঙ্গবাজার, ইসলামপুর, বদরুদ্দোজা সুপার
মার্কেট, প্রিন্স
প্লাজাসহ বিভিন্ন
শপিং মলে
পাওয়া যাবে
ব্লেজার বা
জ্যাকেট।
ফ্যাশন হাউস ওটুর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা জাফর ইকবাল বলেন, ‘শুধু জিনস আর টি-শার্ট তো এই সময়ে চলবে না, এখন চাই একটা বাড়তি পোশাক জ্যাকেট বা ব্লেজার। তরুণদের চাহিদা মাথায় রেখে জ্যাকেট বা ব্লেজারেও এসেছে পরিবর্তন। ব্লেজারের কাপড়, কাট-ছাঁট, বেতাম, রং ইত্যাদি বিষয়ে এবার বৈচিত্র্যের ছোঁয়া লেগেছে বেশি। জিনস, চামড়া, সুতির বাইরে এবার নতুন এসেছে মখমলের জ্যাকেট বা কোট।’
আমাদের দেশে খুব কম সময়ের জন্যই জাঁকানো শীত পড়ে। তাই মাথা থেকে পা পর্যন্ত নিজেকে শীতের পোশাকে মুড়িয়ে রাখাটা পছন্দ করেন না ফ্যাশন-সচেতন তরুণেরা। অনেকেই ভেতরে একটা টি-শার্ট বা শার্ট পরে তার ওপরে পরেন ব্লেজার। তাই সেটা পাতলা হলেও ওম থাকে শরীরে।
বাজারের হালচাল
পুরোদস্তুর আনুষ্ঠানিক ব্লেজার নয়, ক্যাজুয়াল ব্লেজারই বেশি চলছে বাজারে। চামড়ার জ্যাকেটে আছে নানা রঙের খেলা। ইস্পাতের বোতামের ব্যবহার জ্যাকেটগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। চামড়ার এক রঙের জ্যাকেট ছাড়াও আছে চেকের নকশার জ্যাকেট। কোনোটিতে আবার কাপড়ের সঙ্গে চামড়ার ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া ডেনিম কাপড়ের তৈরি নানা ধরনের ব্লেজার চলছে এবারও। মখমলের নকশা করা ব্লেজার এসেছে এবার। জ্যাকেট ও সেমি-স্যুট ধাঁচের এসব মখমলের পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে বেছে নিতে পারেন উজ্জ্বল রঙের প্যান্ট। একের ভেতর দুই অর্থাৎ অফিসে পরা যায় আবার বাইরে কোনো পার্টিতেও ঠিকমতো মানিয়ে যায়, এমন ব্লেজার কিনছেন অনেকে। জ্যাকেট বা ব্লেজারের ভেতরে আগে একটা সাধারণ কাপড় ব্যবহার করা হতো। কিন্তু এবার সেখানে নকশার অংশ হিসেবেই দেখা যাচ্ছে বৈচিত্র্যময় কাপড়।
দরদাম
চামড়ার জ্যাকেট কেনা যাবে ২০০০ থেকে ৬০০০ টাকায়। ব্লেজারের দাম পড়বে ১৮০০ থেকে ৪৫০০ টাকা, গ্যাবার্ডিন কাপড়ে তৈরি ব্লেজারের দাম পড়বে ১২০০ থেকে ৩০০০ টাকা, রেইনকোটে যে ধরনের কাপড় ব্যবহার হয় তেমন চকচকে পানিরোধী উপাদানে তৈরি পাতলা জ্যাকেটের দাম পড়বে ২০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা, মখমলের ব্লেজারের দাম পড়বে ৪০০০ থেকে ৬০০০ টাকার মধ্যে, মোটা সুতি কাপড়ের ব্লেজারের দাম ৫০০০ টাকার মধ্যে। খাদি কাপড়ের তৈরি ব্লেজারগুলোর দাম শুরু ১২০০ থেকে।
যেখানে কেনা যাবে
রাজধানীর ফ্যাশন হাউস ওটু, আর্টিস্টি, ফ্রিল্যান্ড, ক্যাটস আই, একস্ট্যাসি, স্মার্টেক্স, প্লাস পয়েন্ট, তানজিম স্ট্রিট, ইনফিনিটিসহ বিভিন্ন দোকানে পাবেন এগুলো। এ ছাড়া ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, নিউমার্কেট, বঙ্গবাজার, ইসলামপুর, বদরুদ্দোজা সুপার মার্কেট, প্রিন্স প্লাজাসহ বিভিন্ন শপিং মলে পাওয়া যাবে ব্লেজার বা জ্যাকেট।
Subscribe to:
Comments (Atom)