Tuesday, April 1, 2014

এক হয়ে গেল ওডেস্ক ও ইল্যান্স

অনলাইন মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক ও ইল্যান্স একজোট হল। এই দুটি প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ করবে এবং নতুন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে যা অনলাইনে বৃহত্তর মার্কেটপ্লেস হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। আজ ইল্যান্স এবং ওডেস্ক সংযুক্ত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠনের ঘোষণা দিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই দুটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ১৮০ টি দেশের এক কোটির বেশি ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট অল থিংস ডিজিটাল এ তথ্য জানিয়েছে। বাংলাদেশে ইল্যান্সের কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বর্তমানে বিশ্বে ইল্যান্স ও ওডেস্ক  প্রথম  সারির দুটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস হিসেবে পরিচিত। একজোট হয়ে এই দুটি কোম্পানি অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে বর্তমান সুবিধাগুলোর মান উন্নয়নসহ নতুন ধরনের আরও কিছু সেবা আনার বিষয়ে একসাথে কাজ করবে। এতে ফ্রিল্যান্সার এবং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো কাজের ক্ষেত্রে আরও সুবিধা পাবেন।  অবশ্য কোম্পানি দুটি এক হয়ে নতুন কোম্পানি গঠন করলেও আপাতত ইল্যান্স ডটকম ও ওডেস্ক ডটকম আলাদা প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই কাজ চালিয়ে যাবে।
ইল্যান্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে নতুন প্রতিষ্ঠানটি উন্নত ফিচার যুক্ত করবে।  একটি একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বের এক কোটি ফ্রিল্যান্সারের প্ল্যাটফর্ম হবে এটি। নতুন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পাচ্ছেন বর্তমানে ইল্যান্সের প্রধান নির্বাহী ফাবিও রোসাটি এবং বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে থাকছেন ওডেস্কের বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান থমাস লেয়টন। ওডেস্কের বর্তমান সিইও গ্যারি সোয়ারট কৌশলগত উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন কোম্পানির নাম সংযুক্তি বিষয়ক সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর ঘোষণা করা হবে।
ইল্যান্স ডট কমের সিইও ফাবিও রোসাটি জানিয়েছেন, ‘আমরা এমন দুটি প্ল্যাটফর্মকে এক করতে যাচ্ছি, যারা কাজের মাধ্যমে বিশ্বকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে বিশ্বাসী এবং সবসময়ই আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যেতে চায়। ইল্যান্স ও ওডেস্কের একজোট হওয়া মানে বিশ্বে অনলাইনে কাজ খোঁজা ফ্রিল্যান্সারদের ও কাজ দাতা বায়ারদের নানা সুবিধা হবে।
এ প্রসঙ্গে ওডেস্ক সিইও গ্যারি সোয়ারট জানিয়েছেন, ‘এই সংযুক্তি অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। এই মুহূর্তে সারা বিশ্বে প্রায় ২.৭ বিলিয়ন মানুষ অনলাইনে যুক্ত আছে, যাঁরা মুক্তভাবে একটি পেশা বেছে নেয়ার জন্য এবং নানা জায়গা থেকে একসঙ্গে হওয়ার জন্য ক্ষুধার্ত হয়ে আছে। ৪২২ বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক কাজের বাজার এখন নতুনভাবে তৈরি হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। অন্যান্য কাজের ক্ষেত্রের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি গতিতে এগিয়ে যাওয়া অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে আরও দ্রুত গতিতে পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে ইল্যান্সের সাথে যুক্ত হতে পেরে ওডেস্ক কর্তৃপক্ষও রোমাঞ্চিত।’

ইল্যান্স পরিচিতি
ইল্যান্স হচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখানে মানুষ বিভিন্নভাবে কাজ করতে পারে। ইল্যান্স ফ্রিল্যান্স কাজের জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস।  ইল্যান্স বর্তমানে ১৭০টি দেশের ৮ লাখ বায়ার এবং ৩০ লাখ ফ্রিল্যান্সারদের ব্যবহার করে থাকেন।  প্রতি বছর ১৩ লাখেরও বেশী কাজ ইল্যান্সে পোস্ট হয়।

ওডেস্ক পরিচিতি
অনলাইন কাজের ওডেস্ক জনপ্রিয় একটি প্ল্যাটফর্ম। ওডেস্কে প্রায় ১০ লাখ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও প্রায় ৫০ লাখ ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। ২০১৩ সালে তথ্য অনুযায়ী, সবমিলিয়ে ১০০ কোটি ডলারের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে ওডেস্ক প্ল্যাটফর্ম থেকে।

বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট
অনলাইনে কাজের ক্ষেত্রে ওডেস্ক ও ইল্যান্স বাংলাদেশে জনপ্রিয় দুটি মার্কেটপ্লেস। ইল্যান্সের কান্ট্রি ম্যানেজার জানিয়েছেন, এই দুটি প্ল্যাটফর্মে আড়াই লাখের বেশি দেশি ফ্রিল্যান্সার কাজ করেন। ইল্যান্স ও ওডেস্কের সংযুক্তির ফলে নতুন যে ফিচার আসবে তা দক্ষ ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অপূর্ব সুযোগ তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং শেখার সুযোগ

অনলাইনে বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং কাজ শেখানোর উদ্যোগ নিয়েছে তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক অনলাইন সংগঠন  ইনফোনেট। এতে ইংরেজিতে দক্ষ যেকেউ ইন্টারনেট সংযুক্ত পিসি থাকলে ঘরে বসে দেশের যেকোনো প্রান্ত  থেকে  কোর্স করার সুযোগ পাবেন।
ইনফোনেটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তরুণদের মাঝে ফ্রিল্যান্সিং ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ। এখানে পেশাদার ফ্রিল্যান্সার কর্তৃক অনলাইনে সরাসরি ট্রেনিং এর পাশাপাশি লেকচার শিট এবং সপ্তাহ শেষে পরীক্ষা ও এবং কোর্স শেষে সনদ দেওয়া হবে।
ওয়েব ও গ্রাফিকস ডিজাইন, ওয়ার্ড প্রেস, এসইও, ই-মেইল মার্কেটিং এবং আর্টিকেল রাইটিং এর উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।  এছাড়া শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ই-বুক  ও পেনড্রাইভের মাধ্যমে কিংবা ওয়েবসাইট থেকে ফ্রি  ভিডিও  টিউটোরিয়াল দেখার সুযোগ থাকবে। এখানে কোর্স করার পর মেধাবী শিক্ষার্থীরা চাইলে এই সংগঠনে  কাজ করার সুযোগ পাবেন।
প্রতিটি  ব্যাচে শুধুমাত্র ১০০ জন অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। ক্লাস হবে সপ্তাহে ৩ দিন, ১ থেকে দেড় ঘণ্টা।  মোট ৪৫ দিনের কোর্স। ডে শিফট এবং মর্নিং শিফট থাকায় সবার কোর্সে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
অনলাইনে টিমভিউয়ার সফটওয়্যারের মাধ্যমে সরাসরি স্ক্রিন শেয়ার করে শেখানো হবে। এতে ওয়েব ক্যাম থাকার প্রয়োজন নেই।

আউটসোর্সিং কাজ পাওয়ার টিপস

ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ অনেকেই করছেন, আবার অনেকে নতুন করে শুরু করতে যাচ্ছেন। অনলাইনে সহজে আউটসোর্সিংয়ের কাজ পেতে কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই চলে। নিচে সে রকম কিছু কৌশল দেওয়া হলো।
 অনেকেই যাঁরা চার-পাঁচটা কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই জব (কাজ) পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ ১০০টা আবেদন করেও জব পান না। এটা নির্ভর করে আপনি কত কম মূল্যে (রেটে) আবেদন করেছেন তার ওপর।
 যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না সেসব বায়ারের জবে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে (ফ্রিল্যান্সার) ভাড়া বা হায়ার করতে হলে তার পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড থাকতে হয়।
 কোনো একটা জব পোস্ট করার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো।
 আপনি যত বেশি সময় অনলাইনে (ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে) থাকবেন ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ কিছু কিছু কাজ আছে, যেগুলো পোস্ট করার এক-দুই ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া; আবার হঠাৎ করে কোনো ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন। যাতে বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গে তার প্রত্যুত্তর দিতে পারেন।
 মার্কেটপ্লেসগুলোতে দেখবেন প্রতি মিনিটে নতুন নতুন জব পোস্ট করা হচ্ছে, সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব জবে কোনো কনট্রাক্টরের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, সেসবে আবেদন না করাই ভালো। কারণ বায়ার যদি এদের মধ্য পছন্দের কনট্রাক্টর পেয়ে যায় তাহলে আর অন্য কনট্রাক্টরের প্রোফাইল চেক করে দেখবে না।
 যেসব জবে শর্ত দেওয়া আছে এবং সেগুলো যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন তাহলে আবেদন না করাই ভালো।
 যাঁরা ওডেস্কে দুই-তিনটা কাজ করেছেন, এখন বেশি মূল্য হারে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে জবটিতে আবেদন করবেন সে জবের নিচে দেখুন বায়ারের আগের জবগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন বায়ার তাঁর আগের জবগুলোতে বেশি ডলার দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ করিয়েছেন, তাহলে আবেদন করতে পারেন। আর যেসব বায়ার আগের জবগুলোতে বেশি ডলারে কাজ করায়নি, তাদের জবে বেশি রেটে আবেদন না করাই ভালো।

ইল্যান্সে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ

ইল্যান্সে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ


বিশ্বের অন্যতম অনলাইন ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সে বিশ্বব্যাপী ফ্রিল্যান্সারদের সম্মিলিত আয় ১০০ কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। ইল্যান্সের ওয়েবসাইটের ট্রেন্ডস পেজের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সকল ফ্রিল্যান্সার মিলে এই পর্যন্ত এই মার্কেটপ্লেস থেকে ইল্যান্স ডট কম থেকে আয় করেছে ১০৪ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা আয় করেছেন প্রায় ৭৬ লাখ ডলার। আয়ের দিক থেকে ১৭০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে ১৩তম অবস্থানে।বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রে অগ্রগতি প্রসঙ্গে ইল্যান্সের বাংলাদেশ কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান জানিয়েছেন, উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা। ২০১৩ সালেই নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বেড়েছে। ২০১২ সালে যেখানে ১০ হাজার ৯৬১টি কাজে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার নিয়োগ পেয়েছিলেন, সেখানে ২০১৩ সালে এসে সেই সংখ্যাটি বেড়ে ২২ হাজার ৯৭ হয়েছিল। চলতি বছরেও এগিয়ে যাচ্ছেন দেশের ফ্রিল্যান্সাররা।
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের এই অগ্রগতির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে ইল্যান্স কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ অনলাইন মার্কেটপ্লেসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ মার্কেটের জন্য ইল্যান্সের বেশ কিছু নতুন কার্যক্রম শুরু করেছে। নতুন কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে দেশে ইল্যান্সের অফিস স্থাপন এবং ইল্যান্স এক্সপার্ট চ্যাট সেবা।
ইল্যান্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশে ইল্যান্সের অফিস হওয়ায় ফ্রিল্যান্সাররা তাদের যে কোনো সমস্যার দ্রুত সমাধান পাবেন। ঢাকার ধানমন্ডিতে মমতাজ প্লাজায় চালু হয়েছে ইল্যান্সের নিজস্ব অফিস। এ ছাড়াও ইল্যান্স বাংলাদেশ পেজ থেকেও সাহায্য পাবেন ফ্রিল্যান্সাররা। বিভিন্ন কাজে দক্ষ ব্যক্তিদের মাঝে যোগাযোগ বাড়াতে ইল্যান্স এক্সপার্ট চ্যাট নামে একটি মাসিক আয়োজন করবে ইল্যান্স।
এ বছর ইল্যান্সের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে সাইদুর মামুন খান জানিয়েছেন, গত বছরের মতো এ বছরেও উন্নতির ধারা বজায় রাখতে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাবে ইল্যান্স। পাশাপাশি দক্ষ ও পেশাদার ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে কাজ করবে।
প্রসঙ্গত, ইল্যান্সে ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা প্রায় ৩১ লাখ। বাংলাদেশ থেকে এই সাইটটিতে কাজ করছেন প্রায় ৫৭ হাজার ফ্রিল্যান্সার।

অশ্লীল অ্যাপস বন্ধ করছে গুগল

বিনা মূল্যের জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন ও জনপ্রিয় নতুন অ্যাপ বিভাগে গুগলের প্লে স্টোরে বেশ কিছু ‘অশ্লীল’ অ্যাপ্লিকেশন ঠাঁই করে নিয়েছিল। অশ্লীল ছবি, অশ্লীল ভিডিও কিংবা যৌন গল্প প্রভৃতি কনটেন্ট এসব অ্যাপ্লিকেশনে দেখানোর কথা বলা হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের অশ্লীল অ্যাপ্লিকেশনগুলো প্রকাশের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি গুগল। তবে এবারে যৌনতাপূর্ণ কনটেন্ট-সমৃদ্ধ অ্যাপসগুলো গুগলের অ্যাপ্লিকেশন স্টোর ‘প্লে স্টোর’ থেকে সরানোর পরিকল্পনা করেছে গুগল কর্তৃপক্ষ।
গুগল প্লে স্টোরে অশ্লীল অ্যাপ
এক প্রতিবেদনে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেক ক্রাঞ্চ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই গুগলের অ্যাপ্লিকেশন স্টোরে অশ্লীল অ্যাপ্লিকেশন প্রকাশের অনুমতিতে বাধা ছিল না। কিন্তু এবার বিতর্কিত অ্যাপ্লিকেশনগুলো প্লে স্টোর থেকে সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি গুগল তাদের অ্যাপ্লিকেশন প্রকাশের নীতিমালায় পরিবর্তন এনেছে, যাতে অশ্লীল কিছু থাকলে সে অ্যাপ্লিকেশন প্লে স্টোরের মাধ্যমে বিতরণ বন্ধ করে দেবে গুগল। এর আগ কেবল যৌনতা ও কুরুচিপূর্ণ অ্যাপ্লিকেশনগুলো গুগল প্লে স্টোরে প্রকাশ করার অনুমতি ছিল না।
প্রযুক্তি-বিশ্লেষকেরা বলছেন, গুগলের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে প্লে স্টোরে অশ্লীল ছবির অ্যাপস ও প্রাপ্তবয়স্কদের গল্পের অ্যাপ্লিকেশনগুলো ছড়িয়ে পড়া বন্ধ হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, এ ধরনের অ্যাপ্লিকেশনগুলো প্লে স্টোর থেকে বিনা মূল্যে ডাউনলোড করার সুবিধা থাকায় নতুন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কাছে তা আকর্ষণীয় মনে হয় এবং এই অ্যাপ্লিকেশনগুলো জনপ্রিয় হয়। এসব অ্যাপসের মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে অ্যাপস নির্মাতারা।
গুগল শুধু অশ্লীল অ্যাপ্লিকেশনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে না, একই সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ আইকন, টাইটেল, বর্ণনার ক্ষেত্রেও কঠোর হচ্ছে। এ কারণেই ফোন সম্পাদনার অ্যাপ্লিকেশন ‘টিয়ার ক্লথ’কেও গুগলের কোপের মুখে পড়তে হয়েছে।
অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে বিজ্ঞাপন দেওয়ার নীতিমালাও আপডেট করেছে গুগল।

Kabhi_Jo_Baadal_Barse_(Remix-Rishi)

Kabhi_Jo_Baadal_Barse_(Remix-Rishi)

Mere_Mehboob_Qayamat_Hogi_(Yo_Yo_Honey_Singh)

This is the latest song of yo yo Honey sing