Monday, November 25, 2013

সিটির প্রতি আগ্রহী ছিলেন মেসি!

সিটির প্রতি আগ্রহী ছিলেন মেসি!

 

 এক ফ্রেমে দুজন—লিওনেল মেসি ও পাবলো জাবালেতা। জাতীয় দল আর্জেন্টিনার হয়ে এক ম্যাচে। ফাইল ছবি। 

আগামী গ্রীষ্মে বার্সেলোনা ছাড়বেন লিওনেল মেসি! স্পেনের এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে সম্প্রতি বোমাটা ফাটিয়েছিলেন সাংবাদিক ফ্রান্সিস গ্যালার্দো। গুঞ্জন ডালপালা মেলার আগেই সেটি স্রেফ ছেঁটে ফেলেন মেসি নিজেই। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বার্সার সঙ্গে তাঁর বাঁধনটা ছিন্ন হওয়ার নয়। গ্যালার্দোর বোমার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নতুন বোমা ফাটালেন মেসির স্বদেশি পাবলো জাবালেতা। তাঁর দাবি, একসময় ম্যানচেস্টার সিটির প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ ছিল মেসির। বার্সা জাদুকর নাকি সিটির জীবনযাপন সম্পর্কে প্রায়ই তাঁর কাছ থেকে খোঁজখবর নিতেন। খোঁজখবর নেওয়ার কারণ মেসির সিটিতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ, নাকি সিটির ভক্ত হিসেবে, তা অবশ্য সরাসরি উল্লেখ করেননি জাবালেতা।
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে মেসির সঙ্গে খেলেন জাবালেতা। স্পেনেও একই শহরে কয়েকটা বছর কাটিয়েছেন দুজনে। জাবালেতা তখন (২০০৫-২০০৮) খেলতেন এসপানিওলের হয়ে। দুজন দুই দলে খেললেও সেই থেকে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। ২০০৮ সালে এসপানিওল ছেড়ে সিটিতে যোগ দেন জাবালেতা। তখন সিটির জীবনযাপন সম্পর্কে মেসি মাঝেমধ্যেই জানতে চাইতেন বলে দাবি আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের, ‘বার্সেলোনায় থাকার সময় আমরা খুব ভালো বন্ধু ছিলাম। দুজনে একই শহরে থাকতাম। আমি খেলতাম এসপানিওলে, আর মেসি বার্সায়। আমি সিটিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার দুদিন পরই খবর বেরোল, শেখ মনসুর (বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী) ক্লাবটি কিনে নিয়েছেন। মেসি আমাকে বলতো, আমি সঠিক সময়ে সিটিতে যোগ দিয়েছি। সে আমার কাছে সিটির জীবনযাপন সম্পর্কে জানতে চাইতো। কিন্তু আমি ওকে খুব বেশি জানাতে পারতাম না। কারণ আমি নিজেই তখন বেশি কিছু জানতাম না। এ নিয়ে মাঝেমধ্যেই কথা হতো আমাদের।’২৬ বছর বয়সী মেসির সঙ্গে বার্সোলোনার আপাতত চুক্তি ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত। বার্সা নিশ্চয়ই চাইবে না সোনার ডিম পাড়া হাঁসকে কারও কাছে বিক্রি করে দিতে। আর্জেন্টাইন জাদুকর নিজেও জানিয়েছেন, ন্যু ক্যাম্পেই ক্যারিয়ারের বাকি সময়টা কাটিয়ে দিতে চান তিনি। একই সঙ্গে মেসি স্বীকার করেন, অনেক দলই তাঁর প্রতি আগ্রহী। কিন্তু সেগুলো তাঁকে মোটেও প্রভাবিত করছে না। বিভিন্ন সময়ে অনেক বড় ক্লাবকে জড়িয়ে তাঁর নাম উচ্চারিত হওয়ায় বরং সম্মানিত বোধ করেন তিনি।

No comments:

Post a Comment